#রিয়াদুস_সালেহীন দ্বিতীয় খণ্ড অনুচ্ছেদঃ৮০ শাসকের পাপমুক্ত নির্দেশের আনুগত্য করা ওয়াজিব এবং তাদের পাপযুক্ত নির্দেশের আনুগত্য করা হারাম৷

Muhammads words
0

শাসকের পাপমুক্ত নির্দেশের আনুগত্য করা ওয়াজিব এবং তাদের পাপযুক্ত নির্দেশের আনুগত্য করা হারাম৷

قَالَ اللهُ تَعَالَى : يَايُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَطِيعُوا اللهَ وَأَطِيعُوا الرَّسُول وأولى الْأَمْرِ مِنْكُمْ


মহান আল্লাহ বলেন:

'হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহ্র আনুগত্য কর, আনুগত্য কর রাসূলের এবং তোমাদের মধ্যে যারা কর্তৃত্বশীল তাদের।” (সূরা আন্ নিসা: ৫৯)

٦٦٣ - وَعَنِ ابْنِ عَمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ عَلَى الْمَرْءِ الْمُسْلِمِ السَّمْعُ والطَّاعَةُ فِيمَا أَحَبٌ وَكَرِهَ إِلَّا أَنْ يُؤْمَرَ بِمَعْصِيَةٍ فَإِذَا أمِرَ بِمَعْصِيَةٍ فَلا سَمْعَ وَلَا طَاعَةً متفق عليه


৬৬৩। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রত্যেক মুসলিমের উপর (শাসকের নির্দেশ) শ্রবণ করা ও আনুগত্য করা অবশ্যকর্তব্য, চাই তা তার পছন্দ হোক বা অপছন্দ হোক, যতক্ষণ পর্যন্ত না পাপাচারের আদেশ দেয়া হয়। পাপাচারের আদেশ দেয়া হলে তা শ্রবণ করা ও তার আনুগত্য করার কোনও অবকাশ নেই। (বুখারী, মুসলিম)

٦٦٤ - وَعَنْهُ قَالَ كُنَّا إذا بَايَعْنَا رَسُولَ الله صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى السَّمع والطاعة يَقُولُ لَنَا فِيمَا اسْتَطَعْتُمْ - مُتَّفَقٌ عَلَيه.


৬৬৪। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত । তিনি বলেন, আমরা যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ওয়াসাল্লামের নিকট শ্রবণ করা ও আনুগত্য করার উপর বাইয়াত (শপথ) করতাম, তখন তিনি আমাদের বলতেনঃ যথাসাধ্য আনুগত্য তোমাদের জন্য ফরয। (বুখারী, মুসলিম)

٦٦٥ - وَعَنْهُ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ الله صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ خَلَعَ بَدَا مِنْ طَاعَة لَقِيَ الله يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَلَا حُجَّةَ لَهُ وَمَنْ مَاتَ وَلَيْسَ فِي عُنُقِهِ بَيْعَةٌ مَاتَ مِيتَةً جَاهِلِيةٌ - رَوَاهُ مُسْلِمٌ. وَفِي رِوَايَةٍ لَهُ وَمَنْ مَاتَ وَهُوَ مُفَارِقٌ لِلْجَمَاعَةِ فَإِنَّهُ يَمُوتُ ميتة جاهلية.


৬৬৫। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি আনুগত্যের হাত গুটিয়ে নেয়, কিয়ামাতের দিন সে আল্লাহর সাথে এরূপ অবস্থায় মিলিত হবে যে, তার পক্ষে কোন যুক্তি থাকবে না। যে লোক এরূপ অবস্থায় মারা যাবে যে, তার ঘাড়ে আনুগত্যের বন্ধন নেই, তার মৃত্যু হবে জাহিলিয়াতের মৃত্যু।

ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন। তার অপর বর্ণনায় রয়েছেঃ যে ব্যক্তি জামা'আত থেকে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় মারা যাবে তার মৃত্যু হবে জাহিলিয়াতের মৃত্যু।

٦٦٦ - وَعَنْ أَنَس رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ الله صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اسْمَعُوا وَاطِيْعُوا وَإِنِ اسْتُعْمِلَ عَلَيْكُمْ عَبْدٌ كَأَنْ رَأْسَهُ زَبَيْبَةٌ رَوَاهُ لْبُخَارِيُّ.


৬৬৬। আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: তোমরা শ্রবণ কর ও আনুগত্য কর, যদিও আঙ্গুরের মত (ক্ষুদ্র) মাথাবিশিষ্ট কোন হাবশী গোলামকে তোমাদের শাসক নিয়োগ করা হয়। (বুখারী)

وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ الله صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَيْكَ السَّمْعُ وَالطَّاعَةُ فِي عُسْرِكَ وَيُسْرِكَ وَمَنْشَطَكَ وَمَكْرَهكَ وَآثَرَةٍ عليك- رواه مسلم.


৬৬৭। আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সুদিনে ও দুর্দিনে, সন্তুষ্টি ও অসন্তুষ্টিতে এবং তোমার অধিকার খর্ব হওয়ার ক্ষেত্রেও (বা তোমার উপর অন্যকে অগ্রাধিকার দেয়া হলেও, শাসকের নির্দেশ) শ্রবণ করা ও আনুগত্য করা তোমার জন্য অপরিহার্য। (মুসলিম)

٦٦٨ - وَعَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ كُنَّا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي سَفَرٍ فَتَزَلْنَا مَنْزِلاً فَمِنَّا مَنْ يُصْلِحُ خِبَانَهُ وَمِنَّا مَنْ يُنْتَضِلُ وَمِنَّا مَنْ هُوَ فِي جَشَرِهِ إِذْ نَادَى مُنَادِي رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الصَّلاةَ جَامعَة فَاجْتَمَعَنَا إلى رَسُول الله صلى الله عَليه وَسَلَّمَ فَقَالَ إنه لم يَكُن نَبِيُّ قَبْلِى إِلا كَانَ حَقًّا عَلَيْهِ أَنْ يُدَلُ أَمْتَهُ عَلَى خَيْرِ مَا يَعْلَمُهُ لَهُمْ وَيُنْذِرَهُمْ شَرِّ مَا يَعْلَمُهُ لَهُمْ وَإِنْ أمِّتَكُم هذهِ جُعِلَ عَافِيَتُهَا فِي أُولِهَا وَسَيُصِيبُ أَخْرَهَا بلا، وأمور تُنكِرُونَهَا وَتَجِيءُ فِتَنَّ يُرقِّقُ بَعْدُهَا بَعْضًا وَتَجِيءُ الْفِتْنَةُ فَيَقُولُ الْمُؤْمِنُ هذه مُهْلكَتِى ثُمَّ تَنكَشَفُ وَتَجى، الفتنةُ فَيَقُولُ الْمُؤْمِنُ هذه هذه فَمَنْ مَنِيتُهُ وَهُوَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ احَبٌ أَنْ يُرْخَزَحَ عَنِ النَّارِ وَيُدْخَلَ الْجَنَّةَ فَلْتَأْتِهِ مَنِيْتُهُ الآخرِ وَلْيَأْتِ إِلَى النَّاسِ الَّذي يُحِبُّ أنْ يُؤْتَى إِلَيْهِ وَمَنْ بَايَعَ إِمَامًا فَأَعْطَاهُ صَفَقَةً يَدِهِ وَثَمَرَةَ قَلْبِهِ فَلْيُطِعْهُ إِن اسْتَطَاعَ فَإِنْ جَاءَ أَخَرُ يُنَازِعُهُ فَاضْرِبُوا عُنُقَ الآخر - رواه مسلم.


৬৬৮। আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা এক সফরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলাম। আমরা এক জায়গায় যাত্রাবিরতি করলাম। আমাদের কেউ তার তাঁবু ঠিকঠাক করছিলাম, কেউ বা তীর নিক্ষেপ প্রতিযোগিতা করছিল, কেউ তার চতুষ্পদ জন্তুর দেখাশুনায় ব্যস্ত ছিল। এমন সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ঘোষক ডেকে বলেন, নামাযের জন্য জমায়েত হোন। আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে সমবেত হলাম।

তিনি বলেন: আমার পূর্বে যে কোন নবীই অতিক্রান্ত হয়েছেন তাঁর জ্ঞান অনুযায়ী নিজের উম্মাতকে কল্যাণের পথ প্রদর্শন করা এবং যা তাঁর দৃষ্টিতে মন্দ বা অন্যায় তা থেকে তাদেরকে সতর্ক করা ছিল তার অপরিহার্য কর্তব্য। আর তোমাদের এ উম্মাতের অবস্থা এই যে, এ উম্মাতের প্রথম দিকে রয়েছে শান্তি ও সুস্থিরতা এবং শেষ দিকে রয়েছে বিপদ- মুসিবাতের ঘনঘটা।

তখন তোমরা এমন সব বিষয় ও ঘটনাবলীর সম্মুখীন হবে যা হবে তোমাদের অপছন্দনীয়। এমন সব ফিতনার উদ্ভব হবে যার একাংশ অপর অংশকে করবে দুর্বল (আগেরটির তুলনায় পরেরটি হবে আরো ভয়াবহ)। একেকটি মুসিবাত আসবে আর মুমিন বলবে, এটাই বুঝি আমাকে ধ্বংস করে ছাড়বে।

তারপর সে বিপদ কেটে যাবে। পুনরায় বিপদ-মুসিবাত আসবে। তখন মুমিন বলবে, এটাই হয়তো আমার ধ্বংসের কারণ হবে। এহেন কঠিন মুহূর্তে যে ব্যক্তি জাহান্নামের আগুন থেকে দূরে থাকতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে ইচ্ছুক তার জন্য অপরিহার্য হল আল্লাহ ও আখিরাতের উপর ঈমানদার হিসেবে মৃত্যুবরণ করা। আর যেরূপ ব্যবহার সে পেতে আগ্রহী সেরূপ ব্যবহারই যেন লোকদের সাথে করে।

কেউ যদি ইমামের নিকট বাইআত করে, তার হাতে হাত রাখে এবং তার নিকট অন্তরের অর্ঘ নিবেদন করে তাহলে যেন যথাসাধ্য তার আনুগত্য করে। যদি অপর কোন লোক ইমামের মুকাবিলায় আত্মপ্রকাশ করে, তাহলে তোমরা তার ঘাড় মটকে দেবে। (মুসলিম)

٦٦٩ - وَعَنْ أَبِى هُنَيْدَةَ وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ سَأَلَ سَلَمَةُ ابْنُ يَزِيدَ الْجُعْفِي رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ يَا نَبِيِّ اللَّهِ أَرَأَيْتَ إِنْ قَامَتْ عَلَيْنَا أَمَرَاء يَسْأَلُوْنَا حَقَّهُمْ وَيَمْنَعُونَا حَقْنَا فَمَا تَأْمُرُنَا فَأَعْرَضَ عَنْهُ ثُمَّ سَأَلَهُ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِسْمَعُوا وَأَطِيعُوا فَإِنَّمَا عَلَيْهِمْ مَا حُمِلُوا وَعَلَيْكُمْ مَا حُمِلَتُم - رواه مسلم .


৬৬৯। আবু হুনাইদা ওয়ায়েল ইবনে হুজর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সালামা ইবনে ইয়াযীদ আল-জুফী (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ্র নবী। আমাদের উপর যদি এরূপ শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতাসীন হয় যারা তাদের অধিকার আমাদের নিকট থেকে পুরোপুরি আদায় করে নেবে, কিন্তু আমাদের প্রাপ্য অধিকার দেবে না, তখন আমাদের জন্য আপনার নির্দেশ কী?

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। সালামা পুনরায় জিজ্ঞেস করলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: তোমরা শ্রবণ করবে ও আনুগত্য করে যাবে। কারণ তাদের (পাপের) বোঝা তাদের উপর, তোমাদের বোঝা তোমাদের উপর। (মুসলিম)

٦٧٠ - وَعَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّهَا سَتَكُونُ بَعْدِى أَثَرَةٌ وَأمُورٌ تُنْكِرُونَهَا قَالُوا يَا رَسُولَ الله كَيْفَ تَأمُرُ مَنْ أدْرَكَ منا ذلكَ قَالَ تُوَدُّونَ الْحَقِّ الَّذِينَ عَلَيْكُمْ وَتَسْأَلُونَ اللهَ الَّذِي لَكُم- متفق عليه.


৬৭০। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আমার পরে তোমরা অধিকার হরণ ও বহু অপছন্দনীয় জিনিসের সম্মুখীন হবে। সাহাবীগণ বলেন, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি এরূপ পরিস্থিতির সম্মুখীন হবে তার জন্য আপনার নির্দেশ কী? তিনি বলেনঃ এরূপ অবস্থায় তোমরা তোমাদের নিকট প্রাপ্য যথারীতি পরিশোধ করবে এবং তোমাদের প্রাপ্য আল্লাহ্র নিকট প্রার্থনা করবে। (বুখারী, মুসলিম)

 ٦٧١ - وَعَنْ أَبِى هُرَيْرَةَ رَضِيَ وَسَلَّمَ مَنْ أَطَاعَنِيْ فَقَدْ أَطَاعَ اللَّهَ وَمَنْ عَصَانِي فَقَدْ عَصَى اللَّهَ وَمَنْ يُطِعِ الْأَمِيرَ فَقَدْ أَطَاعَنِى وَمَنْ يَعْصِ الْأَميرَ فَقَدْ عَصَانِي متفق عليه اللهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ الله صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ


৬৭১। আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আমার আনুগত্য করল, সে আল্লাহ্র আনুগত্য করল। যে আমার অবাধ্যতা করল সে আল্লাহ্র অবাধ্যতা করল। অনুরূপ যে আমীরের আনুগত্য করল সে আমারই আনুগত্য করল এবং যে আমীরের অবাধ্যতা করল সে আমারই অবাধ্যতা করল। (বুখারী, মুসলিম)

٦٧٢ وَعَنِ ابْنِ عَبَّاس رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا أَنْ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ كَرِهَ مِنْ آمِيْرِهِ شَيْئًا فَلَيَصْبِرُ فَإِنَّهُ مَنْ خَرَجَ مِنَ السُّلْطَانِ شِبْرًا مَاتَ ميتة جاهلية - متفق عليه.


৬৭২। ইবনুল আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যদি তার নেতার মধ্যে কোন অপ্রীতিকর কিছু লক্ষ্য করে, তাহলে সে যেন ধৈর্যধারণ করে। কারণ যে ইসলামী রাষ্ট্রশক্তি থেকে এক বিঘত পরিমাণ দূরে সরে গিয়ে মারা যায়, সে জাহিলিয়াতের মৃত্যুবরণ করে। (বুখারী, মুসলিম)

٦٧٣ - وَعَن أَبِي بُكْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ مَنْ أَهَانَ السُّلْطَانَ أهَانَهُ اللَّهُ رَوَاهُ التَّرْمِذِيُّ وَقَالَ حَدِيثُ حَسَنٌ.


৬৭৩। আবু বাকরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: যে ইসলামী রাষ্ট্রের প্রধানকে লাঞ্ছিত করবে, আল্লাহও তাকে লাঞ্ছিত করবেন।

ইমাম তিরমিযী এটি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন এটি হাসান হাদীস।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)
3/related/default