হওয়া, অভাবীর সাহায্যে এগিয়ে আসা, অজ্ঞদের সঠিক পথ প্রদর্শন, সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজ থেকে বিরত রাখা, অন্যকে কষ্ট না দেয়া এবং কষ্ট পেয়েও ধৈর্যধারণ ইত্যাদির ফযীলাত।

ইমাম নববী (রাঃ) বলেন, জনসাধারণের সাথে উপরোল্লিখিত বৈঠক ও অনুষ্ঠানাদিতে মেলামেশা ও উঠা-বসা করা উত্তম। প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আম্বিয়ায়ে কিরাম, খুলাফায়ে রাশেদীন, সাহাবায়ে কিরাম ও শ্রেষ্ঠ তাবিঈগণের প্রত্যেকের এই নীতি ও আদর্শ ছিল। পরবর্তী কালের উলামায়ে কিরাম ও উম্মাতের উৎকৃষ্ট মনীষীরাও একই আদর্শের অনুসরণ করেছেন। ইমাম শাফিঈ ও আমাদ (রাঃ)-সহ ফিক্হ শাস্ত্রের প্রসিদ্ধ ইমামগণ ও অপরাপর ইসলামী চিন্তাবিদ সকলেই সমাজবদ্ধভাবে বসবাস করা এবং সামাজিক ও সাংসারিক দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনকেই ইসলামী জিন্দেগীর ক্ষেত্রে সফলতার পূর্বশর্ত হিসেবে গণ্য করেছেন। মহান আল্লাহ বলেন: وَتَعَاوَنُوا عَلَى الْبِرِّ وَالتَّقْوَى “সৎ কর্ম ও তাকওয়ার ক্ষেত্রে তোমরা পরস্পর সহযোগিতা করো।” (সূরা আল মা-ইদাঃ ২) এ সম্পর্কে কুরআন শরীফে আরো বহু আয়াত রয়েছে।
#মুহাম্মদের_বাণী #ইসলামিক_একাডেমি_এনপি #হে_মুমিনগণ! #ইবনে_মাজাহ #হাদীস_বিশ্ব_নবীর_বাণী #সুনানে_ইবনে_মাজাহ #রিয়াদুস_সালেহীন