মূল আরবী ভাষায় “মুবাদারা” শব্দ রয়েছে। এর অর্থ প্রতিযোগিতা ও তাৎক্ষণিক কর্মতৎপরতা। অর্থাৎ গড়িমসি না করে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে অবিলম্বে কাজ করা। আসে, কুঁড়ে ও কাজে ঢিলা না হয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কর্মতৎপর থাকাই মুমিনের বৈশিষ্ট্য। নিছক পার্থিব উন্নতি লাভের জন্য ব্যস্ত ও অস্থির না হয়ে দীনী কাজে এবং দীনের জন্য ত্যাগ ও কুরবানীর ক্ষেত্রে পরস্পর প্রতিযোগিতা করার জন্য আল কুরআন ও হাদীসে উৎসাহ দেয়া হয়েছে। তাই ইকামাতে দীনের সংগ্রামে ও যাবতীয় দীনী কাজে প্রতিযোগিতা ও তাৎক্ষণিক তৎপরতা অপরিহার্য। (অনুবাদক)
মহান আল্লাহ বলেন:
قَالَ اللهُ تَعَالَى : فَاسْتَبِقُوا الْخَيْرَات .
(১) “তোমরা উত্তম কাজে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে অগ্রসর হও।” (সূরা আল বাকারা: ১৪৮ )
وَقَالَ تَعَالَى : وَسَارِعُوا إِلى مَغْفِرَةٍ مِنْ رَبِّكُمْ وَجَنَّةٍ عَرْضُهَا السَّمَوَاتُ وَالْأَرْضُ أعدتُ للمُتَّقِينَ .
(২) “তোমরা ধাৰিত হও তোমাদের প্রভুর ক্ষমার দিকে এবং আসমান ও যমীনের সমান প্রশস্ত জান্নাতের দিকে, যা আল্লাহভীরু লোকদের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।” (সূরা আলে ইমরান: ১৩৩)
۸۷ - عَن أبي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ بَادِرُوا بالْأَعْمَالِ فَسَتَكُونُ فِتَنا كَقطع اللَّيْلِ الْمُظلم يُصْبِحُ الرَّجُلُ مُؤْمِنًا وَيُمْسِي كَافِرًا
ويُنسى مُؤْمِنًا وَيُصْبِحُ كَافِرًا يَبيعُ دِيْنَهُ بَعَرَضَ مِنَ الدُّنْيَا - رواه مسلم.
৮৭। আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: তোমরা ক্ষণকাল বিলম্ব না করে সৎ কাজের প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়ে যাও। কারণ শীঘ্রই অন্ধকার রাতের অংশের মত বিপদ-বিশৃংখলার বিস্তার ঘটবে। তখন মানুষ সকাল বেলা মুমিন থাকবে, সন্ধ্যায় কাফির হয়ে যাবে, আবার সন্ধ্যায় মুমিন থাকবে, সকালে কাফির হয়ে যাবে। সে তার দীনকে পার্থিব স্বার্থের বদলে বিক্রয় করবে। (মুসলিম)
عَنْ أَبِى سِرْوَعَةَ بِكَسْرِ السِّينِ الْمُهْمَلَةِ وَفَتْحِهَا عُقْبَةَ بْنِ الْحَارِثِ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ صَلَيْتُ وَرَاءَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالْمَدِينَةِ الْعَصْرَ فَسَلَّمَ ثُمَّ قَامَ مُسْرِعًا فَتَخَطَى رِقَابَ النَّاسِ إِلى بَعْضٍ حُجَرِ نِسَائِهِ فَفَزِعَ النَّاسُ مِنْ سُرْعَتِهِ فَخَرَجَ عَلَيْهِمْ فَرَأَى أَنْهُمْ قَدْ عَجِبُوا مِنْ سُرْعَتِهِ قَالَ ذَكَرْتُ شَيْئًا مِنْ تِبْرِ عِنْدِنَا فَكَرِهْتُ أَنْ يُحْبِسَنِي فَأَمَرْتُ بِقِسْمَتِهِ- رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ وَفِي رِوَايَةٍ لَهُ كُنْتُ خلفت في البيت تبراً مِنَ الصَّدَقَة فَكَرِهْتُ أن أبيتَهُ "التبر" قطعُ ذَهَب أو فضة
৮৮। উকবা ইবনুল হারিস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পেছনে মদীনায় আসরের নামায আদায় করলাম। তিনি সালাম ফিরিয়ে তড়িঘড়ি উঠে পড়লেন এবং লোকদের ডিঙ্গিয়ে তাঁর স্ত্রীদের কামরার দিকে গেলেন। লোকেরা তাঁর এই তড়িঘড়ি দেখে ঘাবড়ে গেল। তারপর তিনি বেরিয়ে এসে দেখলেন যে, লোকেরা তাঁর তড়িঘড়ির কারণে হতবাক হয়ে গেছে। তিনি বলেনঃ এক টুকরা সোনা বা রূপার কথা মনে পড়েছিল, যা আমাদের নিকট ছিল। আমার নিকট তা জমা থাকা পছন্দ করছিলাম না। তাই তা বিতরণ করে দেয়ার হুকুম দিয়ে এলাম। (বুখারী) বুখারীর অন্য এক রিওয়ায়াতে বলা হয়েছেঃ সাদাকার এক টুকরা সোনা ঘরে রয়ে গিয়েছিল । তার সাথে রাত কাটানো আমার কাছে অপছন্দনীয় ছিল।
۸۹- عَنْ جَابِرٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَجُل لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَ أحد أرأيت إِنْ قُتِلْتُ فَأَيْنَ أَنَا ؟ قَالَ فِي الْجَنَّةِ فَالْقَى تَمَرَاتِ كُنْ فِي يَدِهِ ثُمَّ قَاتَلَ
حَتَّى قُتِلَ - متفق عليه
৮৯। জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে উহুদ যুদ্ধের দিন জিজ্ঞেস করল, আমি যদি নিহত হই তবে আমি কোথায় থাকব? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: “জান্নাতে”। তখন সে তার হাতের খেজুরগুলো ফেলে দিয়ে লড়াই করল, অবশেষে শহীদ হয়ে গেল। (বুখারী, মুসলিম)
٩٠ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللهِ أيُّ الصَّدَقَةِ أعظمُ أَجْرًا ؟ قَالَ أَن تَصَدَّقَ وَأَنْتَ صَحِيحٌ
شَحِيْحٌ تَخْشَى الْفَقْرَ وَتَأْمُلُ الْغِنى ولا تُمْهِلُ حَتَّى إِذَا بَلَغَتِ الْخَلْقُوْمَ قُلْتَ لِفُلَانِ كذا وَلِفُلان كذا وَقَدْ كَانَ لِفُلان متفق عليه.
الخلقُومُ مَجرَى النَّفَسِ وَالْمَرِئُ مَجرَى الطَّعَامِ والشراب .
৯০। আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে জিজ্ঞেস করল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! কোন্ সাদাকায় (দানে সবচেয়ে বেশি সাওয়াব? তিনি বলেন: তুমি এমন অবস্থায় দান করবে যে, তুমি সুস্থ আছ, মালের প্রতি লোভী আছ, অভাব-অনটনকে ভয় করছ এবং সম্পদের আশাও করছ। তুমি দান করার ব্যাপারে এমনভাবে কার্পণ্য করো না যে, শেষে মৃত্যুর মুহূর্ত এসে যায় এবং তখন তুমি বলবে যে, এ পরিমাণ অমুকের এবং সে পরিমাণ অমুকের। অথচ অমুকের জন্য সে মাল নির্ধারিত হয়েই গেছে অর্থাৎ মৃত্যুলগ্ন আসার আগেই দান কর। কারণ মৃত্যুর পর এমনিতেই এ সম্পদ অন্যদের হয়ে যাবে। (বুখারী, মুসলিম)
۹۱ - عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَخَذَ سَيْفًا يَوْمَ أُحُدٍ فَقَالَ مَنْ يَأْخُذُ مِنّى هذا ؟ فَبَسَطُوا أَيْدِيَهُمْ كُلُّ إِنْسَانِ مِنْهُمْ يَقُولُ أَنَا أنَا قَالَ فَمَنْ يَأخُذُهُ بِحَقِهِ؟ فَاعْجَمَ الْقَوْمُ فَقَالَ أَبُو دُجَانَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَا اخذهُ بِحَقِّهِ فَأَخَذَهُ فَفَلَقَ بِهِ هَامَ الْمُشْرِكِينَ - رواه مسلم. اسْمُ أَبِي دُجَانَةَ سِمَاك خَرَشَةَ قَولُهُ احْجَمَ الْقَوْمُ أَى تَوَقَّفُوا وَفَلَقَ بِهِ أَيْ شَقٌ هَامَ الْمُشْرِكِينَ أَى رُءُوسَهُمْ.
৯১। আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহুদের যুদ্ধের দিন একখানা তলোয়ার নিয়ে বলেন: কে আমার কাছ থেকে এটা নেবে? লোকদের প্রত্যেকেই হাত বাড়িয়ে বলতে লাগল, আমি, আমি। তিনি বলেনঃ কে এটার হক আদায় করার জন্য নেবে? এ কথায় সব লোক থেমে গেল। তখন আবু দুজানা (রাঃ) বলেন, আমি এর হক আদায় করার জন্য তা নেব। তিনি সেটা নিয়ে মুশরিকদের শিরশ্ছেদ করলেন (মুসলিম)
عَنِ الزُّبَيْرِ بْنِ عَدِي قَالَ آتَيْنَا أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَشَكَوْنَا إِلَيْهِ مَا نَلْقَى مِنَ الْحَجاج فَقَالَ اصْبِرُوا فَإِنَّهُ لا يَأْتِي زَمَانٌ إِلَّا وَالَّذِي بَعْدَهُ شَرٌّ منْهُ حَتَّى تَلْقَوْا رَبَّكُمْ سَمِعْتُهُ مِنْ نَبِيِّكُمْ صَلى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رواه البخاري .
৯২। যুবাইর ইবনে আদী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনে মালিক (রা)-র নিকট এসে হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফের তরফ থেকে আমরা যে নির্যাতিত হচ্ছিলাম তার বিরুদ্ধে অভিযোগ পেশ করলাম। তিনি বলেন, সবর কর, কারণ যে যুগই আসুক, তার পরবর্তী যুগ পূর্ববর্তী যুগের চেয়ে অধিকতর খারাপ। এ অবস্থা তুমি তোমার রবের সাথে সাক্ষাত করা পর্যন্ত চলতে থাকবে। আমি এ কথা তোমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট থেকে শুনেছি। (বুখারী)
۹۳ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ بادروا بالأعمال سَبْعًا هَلْ تَنتَظِرُونَ الأفَقْراً مُنْسَبًا أَوْ عَنِّى مُطْغَيًا أَوْ مَرَضًا مُفْسِدُ أَوْ هَرَمًا مُفْنداً أَوْ مَوْتًا مُجْهرًا أو الرّجالَ فَشَرُّ غَائِبِ يُنْتَظِرُ أو السَّاعَةَ فَالسَّاعَةُ أَدْهَى وَآمَرَ - رَوَاهُ التَّرْمِذِى وَقَالَ حَدِيثُ حَسَنُ .
৯৩। আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: তোমরা সাতটি জিনিসের পূর্বেই অবিলম্বে সব কাজ করে ফেল। তোমরা কি অপেক্ষায় থাকবে যে, এমন দারিদ্র্য আসুক যা ইসলামের নির্দেশ পালন থেকে ভুলিয়ে রাখে? অথবা এমন ঐশ্বর্য আসুক যা ইসলাম বিরোধিতার দিকে ঠেলে দেয়? অথবা এমন রোগ হোক যা শরীরকে খারাপ করে দেয়? অথবা এমন বার্ধক্য আসুক যা বুদ্ধিকে নষ্ট করে দেয়? অথবা হঠাৎ মৃত্যু এসে পড়ুক অথবা অদৃশ্য দুষ্ট দাজ্জাল আত্মপ্রকাশ করুক অথবা কিয়ামাত এসে যাক? আর কিয়ামাত তো খুবই ভীষণ ও তিক্ত।
ইমাম তিরমিযী হাদীসটি রিওয়ায়াত করেছেন এবং তিনি একে হাসান হাদীস বলেছেন।
٩٤ - وَعَنْهُ أَنَّ رَسُولَ الله صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ يَوْمَ خَيْبَرَ لَأَعْطَيَن هذه وَرَسُولَهُ يَفْتَحُ اللهُ عَلَى يَدَيْهِ قَالَ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ مَا الله يحب الرأيَةَ رَجُلاً. أحْبَبْتُ الْامَارَةَ الأَ يَوْمَئِذٍ فَتَسَاوَرْتُ لَهَا رَجَاءَ أَنْ أَدْعَى لَهَا فَدَعَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِب رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَاعْطَاهُ إِيَّاهَا وَقَالَ امش وَلَا تَلْتَفِتُ حَتَّى يَفْتَحَ اللهُ عَلَيْكَ فَسَارَ عَلَى شَيْئًا ثُمَّ وَقَفَ وَلَمْ يَلْتَفِتْ فَصَرَخَ يَا رَسُولَ الله عَلى مَاذَا أَقَاتِلُ النَّاسَ؟ قَالَ قَاتِلُهُمْ حَتَّى يَشْهَدُوا أَنْ لا إله إلا الله وَانْ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللهِ فَإِذَا فَعَلُوا ذَلِكَ فَقَدْ مَتَعْلُوا مِنْكَ دِمَاءَهُمْ وأَمْوَالَهُمْ إِلا بِحَقِّهَا وَحِسَابُهُمْ عَلَى اللهِ - رواه مسلم. قَوْلُهُ فَتَسَاوَرُتُ هُوَ بالسين المهملة أى وَثَبْتُ مُتَطَلعًا
৯৪। আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাইবারের যুদ্ধের দিন বলেন: আমি এই ঝাণ্ডা এমন একজনকে দেব, যে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে ভালোবাসে। তার হাতে আল্লাহ বিজয় দেবেন। উমার (রাঃ) বলেন, আমি নেতৃত্ব লাভ পছন্দ করতাম না, কিন্তু সেই দিন তা পেতে আগ্রহী হলাম। তাই আমার সেজন্য আকাঙ্ক্ষা হল যে, আমাকে ডাকা হোক। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলীকে (রাঃ) ডেকে তাকেই সে ঝাণ্ডা দিলেন এবং বললেনঃ চলে যাও, কোনদিকে তাকাবে না যতক্ষণ না তোমাকে আল্লাহ বিজয় দেন। আলী (রাঃ) একটু অগ্রসর হয়েই দাঁড়ালেন, কিন্তু কোন দিকে তাকালেন না এবং চিৎকার করে জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! কিসের ভিত্তিতে (এবং কতক্ষণ পর্যন্ত) লোকদের সাথে লড়াই করব? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: তারা এই কথা সাক্ষ্য না দেয়া পর্যন্ত লড়াই করবে যে, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, আর মুহাম্মাদ আল্লাহ্র রাসূল। তারা এ সাক্ষ্য দিলে তোমার থেকে তারা তাদের জান-মাল রক্ষা করতে পারবে। তবে ইসলামের হক তাদের আদায় করতে হবে। আর তাদের হিসাব-নিকাশ আল্লাহ্ দায়িত্বে। ইমাম মুসলিম এ হাদীসটি রিওয়ায়াত করছেন।
#মুহাম্মদের_বাণী #ইসলামিক_একাডেমি_এনপি #হে_মুমিনগণ! #ইবনে_মাজাহ #হাদীস_বিশ্ব_নবীর_বাণী #সুনানে_ইবনে_মাজাহ #রিয়াদুস_সালেহীন
