قَالَ اللهُ تَعَالَى : أَلَمْ يَأْنِ لِلَّذِينَ آمَنُوا أَنْ تَخْشَعَ قُلُوبُهُمْ لِذِكْرِ اللَّهِ وَمَا نَزَلَ مِنَ الْحَقِّ وَلَا يَكُونُوا كَالَّذِينَ أوتُوا الْكِتَابَ مِنْ قَبْلُ فَطَالَ عَلَيْهِمُ الْأَمَدُ فَقَسَتْ قُلُوبُهُمْ .
মহান আল্লাহ তা’আলা বলেন:
(১) “ঈমানদার লোকদের জন্য এখনও কি সেই সময় আসেনি যে, তাদের দিল আল্লাহ্ যিরে বিগলিত হবে, তাঁর নাযিল করা মহাসত্যের সামনে অবনত হবে। তারা সেই লোকদের মত যেন না হয় যাদেরকে পূর্বে কিতাব দেয়া হয়েছিল, পরে দীর্ঘকাল তাদের উপর দিয়ে চলে গেলে তাদের দিল শক্ত হয়ে যায়।” (সূরা আল হাদীদ: ১৬)
وَقَالَ تَعَالَى : ثُمَّ قَفَّيْنَا عَلَى آثَارِهِمْ بِرُسُلِنَا وَقَفَّيْنَا بِعِيسَى ابْنِ مَرْيَمَ وَأَتَيْنَاهُ الإنجيل وَجَعَلْنَا فِي قُلُوبِ الَّذِينَ اتَّبَعُوهُ رَاقَةً وَرَحْمَةً وَرَهْبَانِيةٌ ابْتَدَعُوهَا مَا كَتَبْنَاهَا عَلَيْهِمْ إِلا ابْتِغَاءَ رِضْوَانِ اللَّهِ فَمَا رَعَوْهَا حَقٌّ رِعَايَتِهَا .
(২) “অতঃপর আমি তাদের পশ্চাতে অনুগামী করেছিলাম আমার রাসূলগণকে এবং আমি ঈসা ইবনে মারইয়ামকে পাঠিয়েছি এবং তাকে ইনজীল কিতাব দিয়েছি এবং তার অনুসারীদের দিলে আমি দয়া ও সহানুভূতি সৃষ্টি করে দিয়েছি। আর ‘রাহবানিয়াত’ তারা নিজেরা উদ্ভাবন করে নিয়েছে। আমি ওটা তাদের উপর ফরয করিনি। কিন্তু আল্লাহ্ সন্তোষ সন্ধানে তারা নিজেরাই এই বিদআত বানিয়ে নিয়েছে। আর তারা তা যথার্থভাবে পালন করেনি।” (সূরা আল হাদীদ: ২৭)
وَقَالَ تَعَالَى : وَلَا تَكُونُوا كَالَّتى نَقَضَتْ غَزَلَهَا مِنْ بَعْدِ قُوةِ انْكَانا
(৩) “আর তোমরা সেই নারীর মত হয়ে যেও না যে মজবুত করে সূতা কাটার পরে নিজেই সেটাকে টুকরা টুকরা করে ফেলে।” (সূরা আন্ নাহ্ল: ৯২)
وقال تعالى : واعْبُدْ رَبِّكَ حَتَّى يَأْتِيَكَ الْيَقِينُ .
(৪) “তোমার মৃত্যু পর্যন্ত তোমার রবের ইবাদাত করতে থাক।” (সূরা আল-হিজ্র্ঃ ৯৯)
وَأَمَّا الْأَحَادِيثُ فَمِنْهَا حَدِيثُ عَائِشَةَ وَكَانَ أَحَبِّ الدِّينِ إِلَيْهِ مَا دَاوَمَ صَاحِبُهُ عَلَيْهِ وَقَدْ سَبَقَ فِي الْبَاب قَبْلَهُ .
এ অনুচ্ছেদের হাদীসগুলোর মধ্যে আয়িশা (রাঃ) বর্ণিত এ হাদীসও শামিল করা যায়, যা ১৪২ ক্রমিকে বর্ণিত হয়েছে, যার বিষয়বস্তু হল: “আল্লাহ্র নিকট সবচেয়ে প্রিয় দীনী কাজ সেটা যার কর্তা সে কাজ নিয়মিত করে”।
١٥٣ - وَعَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَابِ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ نَامَ عَنْ حِزْبِهِ مِنَ اللَّيْلِ أَوْ عَنْ شَيْءٍ مِّنْهُ فَقَرَاهُ مَا بَيْنَ صَلَاةِ الْفَجْرِ وَصَلَاةِ الظُّهْرِ كُتِبَ لَهُ كَأَنَّمَا قَرَآهُ مِنَ اللَّيْلِ - رواه مسلم .
১৫৩। উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যে ব্যক্তি রাতে তার ওযীফা না পড়েই ঘুমায় অথবা কিছু বাকি রয়ে যায়, তারপর তা ফজর ও যোহরের নামাযের মাঝখানে পড়ে নেয়, তার জন্য (ঐ সাওয়াবই) লিখে দেয়া হয় যে, সে যেন তা রাতেই পড়েছে। (মুসলিম)
١٥٤ - وَعَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ قَالَ لِي رَسُولُ الله صلى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَا عَبْدَ الله لا تَكُنْ مثل فلان كَانَ يَقُومُ اللَّيْلَ فَتَرَكَ قِيَامَ اللَّيْلِ- متفق عليه
১৫৪। আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: হে আবদুল্লাহ! অমুক লোকের মত হয়ো না— সে রাতে ইবাদাত করত, তারপর তা ছেড়ে দিয়েছে। (বুখারী, মুসলিম)
وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إذا فَاتَتْهُ الصَّلَاةُ مِنَ اللَّيْلِ مِنْ وَجَعَ أَوْغَيْرِهِ صَلَّى مِنَ النَّهَارِ ثِنْتَيْ عَشْرَةَ رَكْعَةً - رواه مسلم .
১৫৫। আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রাতের নামায কোন যন্ত্রণা অথবা অন্য কোন কারণে ছুটে গেলে তিনি তার পরিবর্তে দিনে বার রাক'আত নামায পড়তেন (মুসলিম)।
#মুহাম্মদের_বাণী #ইসলামিক_একাডেমি_এনপি #হে_মুমিনগণ! #ইবনে_মাজাহ #হাদীস_বিশ্ব_নবীর_বাণী #সুনানে_ইবনে_মাজাহ #রিয়াদুস_সালেহীন
