#রিয়াদুস_সালেহীন দ্বিতীয় খণ্ড অনুচ্ছেদঃ৭২ অহংকার ও অহমিকা হারাম।

Muhammads words
0


#রিয়াদুস_সালেহীন দ্বিতীয় খণ্ড অনুচ্ছেদঃ৭২ অহংকার ও অহমিকা হারাম।

قَالَ اللهُ تَعَالَى : تِلْكَ الدَّارُ الْآخِرَةُ نَجْعَلَهَا لِلَّذِينَ لَا يُرِيدُونَ عُلُوا فِي الْأَرْضِ وَلَا فَسَادًا وَالْعَاقِبَةُ لِلْمُتَّقِينَ.

মহান আল্লাহ বলেন :

“এটা আখিরাতের সেই আবাস যা আমি নির্ধারিত করি তাদের জন্য যারা এ পৃথিবীতে উদ্ধত হতে ও বিপর্যয় সৃষ্টি করতে চায় না, শুভ পরিণাম মুত্তাকীদের জন্য।” (সূরা আল কাসাস : ৮৩)

وقال تعالى : وَلَا تَمْشِ فِي الْأَرْضِ مَرَحًا إِنَّكَ لَنْ تَخْرِقَ الْأَرْضَ وَلَنْ تَبْلُغَ الجبال طولاً.


“ভূপৃষ্ঠে দম্ভভরে বিচরণ করো না, তুমি কখনো পদভরে ভূপৃষ্ঠ বিদীর্ণ করতে পারবে না এবং উচ্চতায় তুমি কখনো পর্বত-প্রমাণও হতে পারবে না।” (সূরা বনী ইসরাঈল : ৩৭)

وَقَالَ تَعَالَى : وَلَا تُصَعِرْ خَدَّكَ للنَّاسِ وَلَا تَمْشِ فِي الْأَرْضِ مَرَحًا إِنَّ اللهَ لَا يُحِبُّ كُلِّ مُخْتَالٍ فَخُورٍ


“অবজ্ঞাভরে তুমি লোকদের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে কথা বলো না এবং পৃথিবীতে দম্ভভরে বিচরণ করো না । আল্লাহ কোন অহংকারী দাম্ভিককে পছন্দ করেন না।” (সূরা লুকমান : ১৮) 


ইমাম নববী (রাঃ) বলেন, “লা তুসায়ির খাদ্দাকা লিন্নাস” অর্থ গর্বভরে লোকদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিও না। “মারাহ” অর্থ গৌরব, অহংকার।

وَقَالَ تَعَالَى : إِنْ قَارُونَ كَانَ مِنْ قَوْمٍ مُوسَى فَبَغَى عَلَيْهِمْ وَأَتَيْنَاهُ مِنَ الْكُنُوزِ مَا إِنَّ مَفَاتِحَهُ لَتَنُوهُ بِالْعُصْبَةِ أولى القوة إِذْ قَالَ لَهُ قَوْمُهُ لَا تَفْرَحْ إِنَّ اللَّهَ لَا يُحِبُّ الْفَرِحِينَ إلى قوله تعالى : فَخَسَفْنَا بِهِ وَبَدَارِهِ الْأَرْضَ.


“কারূন ছিল মূসার সম্প্রদায়ভুক্ত, কিন্তু সে তাদের প্রতি যুগ্ম করেছিল। আমি তাকে দান করেছিলাম ধন-ভাণ্ডার যার চাবিগুলো বহন করা একদল বলবান লোকের পক্ষেও কষ্টসাধ্য ছিল। স্মরণ কর, তার সম্প্রদায় তাকে বলেছিল, দস্ত করো না, নিশ্চয় আল্লাহ দাম্ভিকদের পছন্দ করেন না । আল্লাহ যা তোমাকে দিয়েছেন, তা দ্বারা আখিরাতের কল্যাণ অনুসন্ধান কর এবং দুনিয়ায় তোমার বৈধ সম্ভোগ তুমি উপেক্ষা করো না। তুমি সদাশয় হও, যেমন আল্লাহ তোমার প্রতি সদাশয় এবং পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করতে চেয়ো না। আল্লাহ বিপর্যয় সৃষ্টিকারীদের ভালোবাসেন না। সে বলল, এ সম্পদ আমি আমার জ্ঞানবলে লাভ করেছি। সে কি জানে না, আল্লাহ তার পূর্বে ধ্বংস করেছেন এমন বহু মানবগোষ্ঠীকে, যারা তার চাইতে শক্তিতে ছিল প্রবল, সম্পদে ছিল প্রাচুর্যশালী? অপরাধীদেরকে তাদের অপরাধ সম্পর্কে (জানার জন্য) কোন প্রশ্ন করা হবে না? কারূন তার সম্প্রদায়ের সম্মুখে উপস্থিত হয়েছিল জাঁকজমক সহকারে। যারা পার্থিব জীবন কামনা করত তারা বলল, 'আহা, কারূনকে যা দেয়া হয়েছে, আমাদেরকে যদি তা দেয়া হত! প্রকৃতই সে মহা ভাগ্যবান।' যাদের জ্ঞান দেয়া হয়েছিল তারা বলল, 'ধিক তোমাদের, যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তাদের জন্য আল্লাহ্র পুরস্কারই শ্রেষ্ঠ এবং ধৈর্যশীল ছাড়া কেউ তা পাবে না। এরপর আমি কারূনকে ও তার প্রাসাদকে ভূগর্ভে তলিয়ে দিলাম। তার স্বপক্ষে এমন কোন দল ছিল না, যে আল্লাহ্র শাস্তির বিরুদ্ধে তাকে সাহায্য করতে পারত এবং সে নিজেও আত্মরক্ষায় সক্ষম ছিল না।” (সূরা আল কাসাস : ৭৬-৮১)

٦١٢ - وَعَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لا يَدْخُلُ الْجَنَّةَ مَنْ كَانَ فِي قَلْبِهِ مِثْقَالُ ذَرَّةٍ مِنْ كَبْرِ فَقَالَ رَجُلٌ إِنَّ الرّجُلَ يُحِبُّ أن يُكُونَ ثَوْبُهُ حَسَنًا وَنَعْلَهُ حَسَنَةً قَالَ إِنَّ اللهَ جَمِيلٌ يُحِبُّ الْجَمَالَ الكبرُ بَطرُ الْحَقِّ وَغَمْطُ النَّاسِ - رواه مسلم.


৬১২। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার অন্তরে অণু পরিমাণও অহংকার রয়েছে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না। একজন বলল, যে কোন লোক তো চায় যে, তার কাপড়টা সুন্দর হোক, জুতাটা আকর্ষণীয় হোক (এটাও কি অহংকারের অন্তর্ভুক্ত)? তিনি বলেন: আল্লাহ নিজে সুন্দর। তিনি সৌন্দর্য পছন্দ করেন। অহংকার হল, গর্বভরে সত্যকে অস্বীকার করা এবং মানুষকে হেয় জ্ঞান করা (মুসলিম)

٦١٣ - وَعَنْ سَلَمَةَ بْنِ الْأَكْوَعِ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ أَنَّ رَجُلاً أَكَلَ عِنْدَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِشِمَالِهِ فَقَالَ كُلِّ بِيَمِينِكَ قَالَ لَا أَسْتَطِيعُ قَالَ لَا اسْتَطَعْتَ مَا مَنَعَهُ الأَ الْكَبْرُ قَالَ فَمَا رَفَعَهَا إِلَى فِيهِ- رواه مسلم .


৬১৩। সালামা ইবনুল আকওয়া (রাঃ) থেকে বর্ণিত। এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট বাম হাতে আহার করলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ ডান হাতে খাও। সে বলল, আমি পারছি না। তিনি বলেনঃ তুমি যেন না পার। অহংকারই তার প্রতিবন্ধক ছিল। সে আর কখনো মুখ পর্যন্ত হাত তুলতে পারেনি (মুসলিম)

٦١٤ - وَعَنْ حَارِثَةَ بْنِ وَهْبٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ الاَ أُخبِرُكُم بِأَهْلِ النَّارِ كُلُّ عُتُلٍ جَواظٌ مُسْتَكْبِرٍ - متفق عليه وَتَقَدَّمَ شَرْحُهُ في بَابِ ضَعْفَة الْمُسْلِمِينَ

৬১৪। হারিসা ইবনে ওয়াহব (রাঃ) থেকে বর্ণিত,  আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি : আমি কি তোমাদেরকে জাহান্নামীদের বিষয়ে জানাব না? তারা হলঃ প্রত্যেক অহংকারী, সীমালংঘনকারী, বদবখত ও উদ্ধত লোক । ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিম হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।

٦١٥ - وَعَنْ أَبِي سَعِيدِ الْخُدْرِيِّ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ احْتَجَتِ الْجَنَّةُ وَالنَّارُ فَقَالَتِ النَّارُ فِي الْجَبَّارُونَ وَالْمُتَكَبِّرُونَ وَقَالَتِ الْجَنَّةُ فِي ضُعَفَاءُ النَّاسِ وَمَسَاكِيْتُهُمْ فَقَضَى اللَّهُ بَيْنَهُمَا إِنَّكَ الْجَنَّةُ رَحْمَتِي أَرْحَمُ بِكِ مَنْ أَشَاءُ وَإِنَّكَ النَّارُ عَذَابِي أُعَذِبُ بِكَ مَنْ أَشَاءُ وَلَكِلَيْكُمَا عَلَى ملوها - رواه مسلم.


৬১৫। আবু সাঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জান্নাত ও জাহান্নামের মধ্যে বিতর্ক হল। জাহান্নাম বলল, অহংকারী ও উদ্ধত যারা, তারাই আমার মধ্যে প্রবেশ করবে। জান্নাত বলল, আমার মধ্যে আসবে ঐসব লোক, যারা দুর্বল মিসকীন ও অসহায়। আল্লাহ উভয়ের মাঝে ফায়সালা করে দিলেনঃ জান্নাত! তুমি আমার রাহমাত । যে বান্দার প্রতি রহম করার আমার ইচ্ছা হবে, তোমার সাহায্যে আমি তার প্রতি রহম করব। আর জাহান্নাম! তুমি আমার শাস্তি । যাকে আমি ইচ্ছা করব তোমার দ্বারা তাকে শাস্তি দেব। তোমাদের উভয়কে পূর্ণ করা আমার দায়িত্ব। (মুসলিম)

٦١٦ - وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ الله صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لا يَنظُرُ اللهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ إلى مَنْ جَرِّ إِزَارَهُ بَطْرًا - مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ


৬১৬। আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কিয়ামাতের দিন আল্লাহ ঐ লোকের প্রতি ফিরে তাকাবেন না, যে অহংকারবশে তার তবদ (টাখনুর নিচে) ঝুলিয়ে দিল। (বুখারী, মুসলিম)

۹۱۷ - وَعَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثَلَاثَةٌ لَا يُكَلِّمُهُمُ اللهُ يومَ الْقِيَامَةِ وَلا يُزَكِّيهِمْ وَلَا يَنظُرُ إِلَيْهِمْ وَلَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ شَيْخٌ زَانٍ وَمَلِكَ كَذَّابٌ وعائل مُسْتَكْبر - رواه مسلم.


৬১৭। আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : তিন ধরনের লোকের সাথে আল্লাহ কিয়ামাতের দিন কথা বলবেন না, তাদেরকে পবিত্রও করবেন না, তাদের প্রতি তাকাবেনও না এবং তাদের জন্য রয়েছে বেদনাদায়ক শাস্তি : (১) বৃদ্ধ যেনাকারী, (২) মিথ্যাবাদী শাসক ও (৩) অহংকারী দরিদ্র। (মুসলিম)

٦١٨ - وَعَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ الله صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ اللهُ عَزَّ وَجَلَّ العز ازارِى وَالْكَبْرِيَاءُ رِدائِي فَمَنْ يُنَازِعُنِي فِي وَاحِدٍ مِّنْهُمَا فَقَدْ عَذَبْتُهُ

৬১৮। আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : সম্মানিত মহান আল্লাহ বলেন, “ইয়্যাত ও মাহাত্ম্য হচ্ছে আমার ইযার এবং অহংকার ও শ্রেষ্ঠত্ব আমার চাদর। যে ব্যক্তি এ দু'টির কোন একটিতে আমার সাথে সংঘর্ষ ও বিবাদে লিপ্ত হয় তাকে আমি অবশ্যই শাস্তি দেব।” (মুসলিম)

وَعَنْهُ أَنَّ رَسُولَ الله صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ بَيْنَمَا رَجُلٌ يَمْشِي فِي حلَّةٍ تُعْجِبُهُ نَفْسُهُ مُرَجَلٌ رَأْسَهُ يَخْتَالُ فِي مِشْيَتِهِ إِذْ خَسَفَ اللهُ بِهِ فَهُوَ يَتَجَلَجَلُ في الأَرْضِ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ - متفق عليه  


৬১৯। আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ (অতীত কালে) এক লোক মূল্যবান পোশাক পরে মাথায় (বা চুলে সিঁথি কেটে ও চালচলনে অহংকারী ভাব প্রকাশ করে হেঁটে যাচ্ছিল। এতে সে নিজেকে খুবই আনন্দিত ও গর্বিত অনুভব করছিল। হঠাৎ আল্লাহ তাকে মাটির নিচে দাবিয়ে দিলেন। কিয়ামাত পর্যন্ত সে ভূগর্ভে দেবে যেতে থাকবে। (বুখারী, মুসলিম)

٦٢٠ - وَعَنْ سَلَمَةَ بْنِ الْأَكْوَعِ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لا يَزَالُ الرَّجُلُ يَذْهَبُ بِنَفْسِهِ حَتَّى يُكْتَبَ فِي الْجَبَّارِينَ فَيُصِيبُهُ مَا أَصَابَهُمْ - رواه الترمذي وقال حديث حسن


৬২০। সালামা ইবনুল আকওয়া (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : মানুষ এমনভাবে আত্মগর্বে লিপ্ত হয়ে পড়ে যে, অবশেষে তার নাম অহংকারী ও উদ্ধতদের মধ্যে লিপিবদ্ধ হয়, ফলে সে অহংকারী ও উদ্ধত লোকদের অনুরূপ আযাবে পতিত হয়।

ইমাম তিরমিযী এ হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন এবং বলেছেন, এটি হাসান হাদীস ।

٦٢٠ - وَعَنْ سَلَمَةَ بْنِ الْأَكْوَعِ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لا يَزَالُ الرَّجُلُ يَذْهَبُ بِنَفْسِهِ حَتَّى يُكْتَبَ فِي الْجَبَّارِينَ فَيُصِيبُهُ مَا أَصَابَهُمْ - رواه الترمذي وقال حديث حسن


৬২০। সালামা ইবনুল আকওয়া (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : মানুষ এমনভাবে আত্মগর্বে লিপ্ত হয়ে পড়ে যে, অবশেষে তার নাম অহংকারী ও উদ্ধতদের মধ্যে লিপিবদ্ধ হয়, ফলে সে অহংকারী ও উদ্ধত লোকদের অনুরূপ আযাবে পতিত হয়।

ইমাম তিরমিযী এ হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন এবং বলেছেন, এটি হাসান হাদীস ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)
3/related/default